প্রজ্ঞায় বঙ্গবন্ধুকে ছাড়িয়ে গেলেও ভারতকে চিনতে ব্যর্থ হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: জাফরুল্লাহ


নিজস্ব প্রতিবেদক

আরটিএনএন

ঢাকা: মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতকে চিনতে ব্যর্থ হয়েছেন। তার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভারতকে চিনতে পেরেছিলেন। প্রজ্ঞার দিক দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তার বাবাকে ছাড়িয়ে গেলেও ভারত ইস্যুতে তিনি ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী জানেন না, ভারত আমাদের দেশকে কীভাবে ধ্বংস করে দেবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর চেয়ে সাধারণ মানুষ মানবতা বেশি দেখিয়েছে। এরপরও তিনি (প্রধানমন্ত্রী) যতটুকু দেখিয়েছেন এ জন্য তাকে ধন্যবাদ জানাই।’

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে গণ সংস্কৃতি দল আয়োজিত গণবৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

সংগঠনের সভাপতি এস আল-মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন- সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, জেএসডির সভাপতি আ.স.ম আব্দুর রব, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব) সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম বীর প্রতীক, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি বাংলাদেশ ন্যাপ’র চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গাণি, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ডেমোক্রেটিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন মনি, এনডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, মুক্তিযোদ্ধা ফরিদ উদ্দিন, আদর্শ নাগরিক আন্দোলনের সভাপতি মুহম্মদ মাহমুদুল হাসান, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন, বন্ধু দলের সভাপতি শরীফ মোস্তফাজামান লিটু, গণ সংস্কৃতি দলের সহসভাপতি নুরুল করিম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার ছুটি প্রসঙ্গে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেছেন, ‘প্রধান বিচারপতির ছুটি নিয়ে সরকার যা করেছে তা ইতিহাসে কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবে লেখা থাকবে।’

তিনি আরো বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যার ব্যাপারে যে কোনো দল জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলে সেই ঐক্যে আমি থাকবো। তবে রাজনৈতিক ঐক্য গড়তে হলে সেখানে আমার কিছু বক্তব্য থাকবে।

জেএসডির সভাপতি আ.স.ম আব্দুর রব বলেন, ‘ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে বিচার বিভাগ। প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার ক্যান্সার হয়নি। ক্যান্সার হয়েছে রাষ্ট্র ব্যবস্থার। এর মাশুল জাতিকে একদিন দিতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রধান বিচারপতি ছুটি নিয়ে কথা বলতে পারছেন না। কোনদিন শুনলাম না তিনি অসুস্থ। এখন হঠাৎ কথা বলতে পারছেন না।কারণটা কি?’

তিনি আরো বলেন, ‘রোহিঙ্গা ইস্যুতে পররাষ্ট্র নীতিতে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে বাংলাদেশ। রোহিঙ্গা ইস্যু জাতীয় সমস্যা। এই সমস্যার সমাধানে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই।’