যেভাবে ফেসবুকে প্রশ্নপত্র ফাঁস করা হয়


নিজস্ব প্রতিবেদক

আরটিএনএন

ঢাকা: তিনটি ধাপে সক্রিয় একটি চক্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস করে থাকে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার আব্দুল বাতেন।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল বাতেন জানান, প্রথম ধাপে চক্রটি ফেসবুকে প্রথমে একটি গ্রুপ তৈরি করে। তারপর সেখানে প্রশ্নপত্র ফাঁস বিষয়ে স্ট্যাটাস দেয় এবং শেষ ধাপে যারা চক্রটির সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের কাছে একটি বিকাশ নম্বর দেয়া হয়। যারা বিকাশে টাকা পাঠান শুধু তাদের প্রশ্ন পাঠানো হয়। তাদের ফাঁস করা প্রশ্নপত্র থেকে ৩০/৪০ শতাংশ কমন পড়ে।

সোমবার রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের ৬ জনকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।

আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন- রাজু আহমেদ, মো. ফয়সালুর রহমান ওরফে আকাশ, জোহায়ের আয়াজ, মইনুদ্দিন ইমন, স্বাধীন আল মাহমুদ এবং কাজী রাশেদুল ইসলাম ওরফে রনি। তাদের মধ্যে মো. ফয়সালুর রহমান ওরফে আকাশ প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের মূল হোতা। তার মাধ্যমে অন্যদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে ল্যাপটপ, সিপিইউ, রাউটার, মোবাইল সিম কার্ড জব্দ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মাহবুবুর রহমানসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।